বেগম জিয়ার জামিন: আ’লীগ নেতা-মন্ত্রীদের প্রতিক্রিয়া

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু এমপি-মন্ত্রীরা। নিচে সেই প্রতিক্রিয়াগুলো পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার জামিনে প্রমাণ হয়েছে মামলায় ও আদালতের ওপর সরকার এবং আওয়ামী লীগের কোন হস্তক্ষেপ নেই।’

 

 

 

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জামিনের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে এতো হাইপ্রোফাইল মামলা হওয়া সত্বেও আইন, আদালত এবং বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। এখানে সরকারের কোন প্রকার হস্তক্ষেপ ছিল না এবং নেই।’

 

 

 

 

আদালত বেগম খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনা করছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘১০ বছর মামলা পরিচালনার পর রায় দেয়া হয়েছে। এতে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ নেই। শুধু এই মামলায় নয়। সরকার এ পর্যন্ত কোন প্রকারের মামলাতেই হস্তক্ষেপ করছে না, করেও নি।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন। খালেদা জিয়ার জামিনে তা প্রমাণিত। তার রায় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করেছিল। আমরা আগেও বহুবার দেখেছি আদালত বিএনপির প্রতি সবসময়ই সদয়।

x

 

 

 

এছাড়া, আমরা বারবার বলেছি সরকার এই বিষয়ে কোন হস্তক্ষেপ করেনি। আমরা চাই আদালত এগিয়ে যাবে। তার মত করে কাজ করবেন।

চার মাসের জামিন প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, কারো চাপ নেই। আদালত তাকে জামিন দিয়েছে। তিনি দুর্নীতির দায়ে কারাবরণ করেছিলেন। এটা প্রমাণিত।

 

 

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সরকার বিচার কাজে হস্তক্ষেপ করে না, খালেদা জিয়ার চার মাসের জামিনের মধ্য দিয়ে তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপি নেতারা সারাদেশে বলে বেড়াচ্ছিলেন আমরা নাকি আদালতে ইন্টারফেয়ার (হস্তক্ষেপ) করছি বলে বেইলটা (জামিন) হচ্ছে না। আজকে প্রমাণিত হলো, বিচার বিভাগ যে স্বাধীন এবং বিচার কাজে সরকার হস্তক্ষেপ করে না।

 

 

তিনি বলেন, আগে সবসময় থাকত রাষ্ট্র বনাম আসামি। ২০০৪ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতি দমন আইন পাস করা হয়েছিল। ২০০৭ পর্যন্ত যেটার কোনো কার্যক্রম হয়নি। সেই দুর্নীতি দমন আইনে বলা আছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হবে পক্ষ, রাষ্ট্র উইল বি দ্য সেকেন্ড পার্ট। তাহলে এখন দাঁড়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন বনাম আসামি খালেদা জিয়া। এরপর কর্মপন্থা বা কী করবেন সেই সিদ্ধান্ত তারা নেবে দুদক। এটা সরকারের ব্যাপার নয়।

 

 

সোমবার (১২ মার্চ) ও মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) খালেদা জিয়ার জামিনের আদেশের প্রতিক্রিয়ায় তারা এ কথা বলেন।

বিডি২৪লাইভ/

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

To top ↑