এবার কোথায় যাবে সেই এসআই জাকির…! (পড়ুন বিস্তারিত)

হবিগঞ্জের আলোচিত কিশোরী বিউটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তিন সদস্যের কমিটি। প্রতিবেদনে এসআই জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। একইসাথে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশও করা হয়।

 

তদন্ত কমিটির প্রধান হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ স ম শামছুর রহমান ভূ্ঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এরইমধ্যে এসআই জাকির হোসেনকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইন্সে রাখা হয়েছে।

 

 

 

আ স ম শামছুর রহমান ভূঁইয়া জানান, বিউটি ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই জাকির হোসেনের অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এজন্য তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

x

 

এর আগে গত ১৭ মার্চ জেলার লাখাই উপজেলার গুনীপুর গ্রাম থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে ছাতাগর্ত হাওর থেকে বিউটি আক্তারের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ১৮ মার্চ বিউটির বাবা দিনমজুর সায়েদ মিয়া বাবুল মিয়াকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাবুলের মা ব্রাহ্মণডোরা ইউপি সদস্য কলম চান বিবিকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ ও বন্ধু ইসমাইল মিয়াকে অলিপুর থেকে গ্রেফতার করে।

 

তবে ঘটনার পর থেকেই বাবুল পলাতক ছিল। তাকে গ্রেফতার করতে না পারায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে পুলিশ। এজন্য একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। এরপর গত শুক্রবার দিবাগত রাতে র‌্যাব-৯ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বাবুল মিয়াকে সিলেটের বিয়ানীবাজারে ফুফুর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মঙ্গলবার তার রিমান্ডের ২য় দিন অতিবাহিত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

To top ↑